নোয়াখালীর বিখ্যাত “মরিচ খোলা” রেসিপি

নোয়াখালীর বিখ্যাত “মরিচ খোলা” রেসিপি

“মরিচ খোলা” নোয়াখালীর মানুষের কাছে এক ঐতিহ্যবাহী খাবারের  নাম। নামটা শুনলেই জিবে জল এসে যায়। মরিচ খোলা দেখতে যেমনটা সুন্দর খেতে ও তেমনি মজাদার। এটি রান্নায় কিছুটা জটিলতা থাকায় সচরাচর রান্না হয় না। তবে খেতে ইচ্ছে করলে রান্না না করেও উপায় থাকে না যার কারন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকার মত। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে এই ঐতিহ্যবাহী মরিচ খোলা রান্না করতে হয়…

 

উপকরণঃ- মরিচ খোলা রান্না করতে আপনার যা যা লাগবে……

 

  • পাঁচ মিশালী ছোট মাছ (যেমনঃ বইচা খলিশা, কাচকি, ছোট চিংড়ি, ছোট পুঁটি মাছ, চান্দা)

  • পেঁয়াজ কুচি – বড় সাইজের ৩ টা

  • টমেটো কুচি – বড় সাইজের ১ টা

  • পেঁয়াজ বাটা – ২ টেবিল চামচ

  • রসুন বাটা – ২ চা চামচ

  • শুকনো মরিচ বাটা – ৩ টেবিল চামচ

  • লবণ – পরিমান মত

  • হ্লুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ

  • কাচা মরিচ কুচি – ৩ টা

  • ধনিয়া পাতা কুচি – পরিমান মত

  • সরিষার তেল – পরিমান মত

  • কলা পাতা/ফয়েল পেপার

 

প্রস্তুত প্রণালীঃ 

 

১। প্রথমে ছোট মাছগুলোকে কেটে সুন্দর করে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে একটা পাত্রে রাখতে হবে।

 

২। এরপর কেটে রাখা বড় সাইজের ৩ টা পেঁয়াজ কুচি মাছের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।

 

৩। এরপর একে একে টমেটো কুচি, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, শুকনো মরিচ বাটা, লবণ, হ্লুদ গুঁড়া, কাচা মরিচ কুচি, ধনিয়া পাতা কুচি এবং পরিমান মত সরিষার তেল দিয়ে ভাল ভাবে একটু সময় নিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে।

 

৪। এরপর একটি বড় সাইজের কচি কলা পাতা নিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। আর কলা পাতা পাওয়া না গেলে ফয়েল পেপার নিতে হবে।

 

৫। এরপর মাখানো উপকরণ সবগুলো কলা পাতার উপর রেখে কলা পাতা চারপাশ থেকে ভাজ করে বেধে নিতে হবে। (সেফটির জন্য কলা পাতা ডাবল করে নেওয়া যেতে পারে)

 

৬। এবার চুলা থেকে তপ্ত কয়লা নিয়ে তার মধ্যে সব উপকরণ দিয়ে বাধা কলা পাতা রেখে তার উপর আরো কিছু কয়লা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। আর কয়লা বা কাঠের চুলা না থাকলে তাওয়ার উপর রেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

 

৭। তারপর রান্নাটি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সম্পন্ন হওয়ার পর সাবধাণতার সহিত কয়ালার ভিতর থেকে কলা পাতা বা মোড়ানো ফয়েল পেপার বের করে এনে কলা পাতা কেটে একটি বাটিতে ঢেলে নিন আর গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন মজাদার মরিচ খোলা।

Leave a Reply